“সোলার পিভি ইলেক্ট্রিসিটি ইন বাংলাদেশ: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ” শীর্ষক আলোচনা

“সোলার পিভি ইলেক্ট্রিসিটি ইন বাংলাদেশ: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ” শীর্ষক আলোচনা

diu

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে আগষ্ট ০৮, ২০১৫ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে “সোলার পিভি ইলেক্ট্রিসিটি ইন বাংলাদেশ ঃ বর্তমান ও ভবিষ্যৎ” শীর্ষক টেক টক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউছূফ এম. ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাশউদ্দিন, এসআরইডিএ এর সদস্য (ইইএন্ডসি) সিদ্দিক জোবায়ের, পাওয়ার সেল এর মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যামিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনিস্টিটিউট অব এনার্জি এর পরিচালক ড. সাইফুল হক, প্রকৌশলী সংসদ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিস. আসমা হক এবং আইডিকল ইনভেস্টম্যান্ট বিভাগের ইউনিট হেড মিস. ফারহানা হক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম শামসুল আলম।
অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা (গড) প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন (শডয) কতটা বাড়ছে তা দেখা বা বুঝা যাচ্ছে না। ফলে সৌর বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন মূল্যায়ন মাপকাঠি পর্যালোচনা করতে হবে। তরল জ্বালানী ভিত্তিক বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয়হার ২০ টাকার ওপরে। গত অর্থবছরে এ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ৯০২.৬৩ কোটি ইউনিট। তাতে ভর্তুকি দিতে হয়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। এ ভর্তুকি তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রবৃদ্ধিতে ব্যয় না করে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রবৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করা হলে ভর্তুকি কমিয়ে আনা সম্ভব হতো।
ঊক্তারা আরো আরোও বলেন, সামগ্রীকভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানী খাত উন্নয়নে সরকারের প্রস্তুতির স্বরূপ জনগনের দেখা বা বুঝা দরকার। ২০২১ সাল নাগাদ গ্রীড বিদ্যুৎ প্রবাহ হবে প্রায় ৯০ বিলিয়ন ইউনিট। তাতে ১০ শতাংশ থাকবে নবায়নযোগ্য জ্বালানী থেকে পাওয়া বিদ্যুৎ। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কৌশলগত পরিকল্পনা বা রোডম্যাপ নিরিক্ষা অতীব জরুরী বলে বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন। তারা আরো বলেন, আমাদের দেশে সৌর বিদ্যুৎ ফলন অন্যান্য দেশ বা অঞ্চলের তুলনায় অতি উত্তম। সক্ষমতা ও দক্ষতা স্বল্পতার কারণে আমরা সে বিদ্যুৎ ফলাতে পারছি না। উচ্চ ফলনশীল খাদ্য উৎপাদনে আমরা যেমন সক্ষম হয়েছি। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রেও তেমন উচ্চ ফলন চাই।

NO COMMENTS

Leave a Reply